
This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial 4.0 International License.



সংবিধানের ১৪৮(২ক) অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে:
“প্রধান নির্বাচন কমিশনার উহার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে উক্ত শপথ পাঠ পরিচালনা করিবেন, যেন এই সংবিধানের অধীন তিনিই ইহার জন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তি।”
এই বিধানের মাধ্যমে একটি আইনি প্রশ্ন সামনে আসে—প্রধান নির্বাচন কমিশনার যখন শপথ পড়াবেন, তখন তাঁর জন্য কি তৃতীয় তফসিলে আলাদা কোনো ফরম্যাট বা বিধান থাকার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে?
আইনি ব্যাখ্যা অনুযায়ী এর উত্তর হলো—না, আলাদা কোনো ফরম্যাটের প্রয়োজন নেই। কারণ, তৃতীয় তফসিলে বর্ণিত শপথের ফরম্যাটটি ‘শপথ গ্রহণকারীর’ জন্য নির্ধারিত, ‘শপথ পাঠকারীর’ জন্য নয়। শপথ কে পাঠ করাবেন বা কার মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে, তা সংবিধান ও কার্যপ্রণালী বিধির সমন্বিত পাঠের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
এখানে একটি সূক্ষ্ম আইনি পার্থক্য লক্ষণীয়। সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদে শপথ পাঠ করানোর জন্য ‘স্পিকার’ বা ‘ডেপুটি স্পিকার’-এর নাম সরাসরি উল্লেখ নেই; বরং সেখানে ‘এই সংবিধানের অধীন নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি’র কথা বলা হয়েছে। আর এই ‘ব্যক্তি’ কে হবেন, তা নির্দিষ্ট করার বিধান রয়েছে ‘কার্যপ্রণালী বিধি’র ৫ বিধিতে। অর্থাৎ, অনুচ্ছেদ ১৪৮ শপথ পাঠের বাধ্যবাধকতা ও সময়সীমা নির্ধারণ করেছে, আর বিধি ৫ শপথ পাঠকারী কর্তৃপক্ষকে (Authority) চিহ্নিত করেছে।
বিধি ৫ অনুযায়ী, শপথ পাঠ করানোর প্রাথমিক দায়িত্ব স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের। তাঁদের অবর্তমানে মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত ব্যক্তি শপথ পড়াবেন। যদি এই নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় (বিধি ৫ অনুযায়ী) শপথ পাঠ সম্পন্ন না হয়, কেবল তখনই ১৪৮(২ক) অনুচ্ছেদ সক্রিয় হবে। সেক্ষেত্রে প্রধান নির্বাচন কমিশনার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে শপথ পাঠ করাবেন এবং আইনত ধরে নেওয়া হবে যে, তিনিই সংবিধানের অধীন শপথ পড়ানোর জন্য ‘নির্দিষ্ট ব্যক্তি’।
এক্ষেত্রে শপথ পড়ানোর জন্য আলাদা কোনো ফরম্যাটের প্রয়োজন নেই। সংসদ সদস্যদের শপথের জন্য তৃতীয় তফসিলে যে ফরম্যাট (৫ নম্বর ক্রমিক) দেওয়া আছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার হুবহু সেই ফরম্যাটেই শপথ পাঠ করাবেন।
--
শপথ প্রসঙ্গে
১৩/২/২০২৬

বাঁপাশ থেকে
নতুন ছাদ খোলা গাড়িতে চেপে সাকী
চলে
গেল একটু ডানে। পাঁচ
অথবা পঞ্চান্ন লেনের মাঝামাঝি এক উজ্জ্বল লেনে
সবাইকে অবাক করে চলতে
শুরু করলো সে… আমরা গাইলাম
– ‘এলো ভোটের মরশুম শরবত ঢালো সাকী…
হামিদ, কবির,
ফরহাদ, হাসনাত, এবং আরো যারা বামে তারা একটি বাম বাম মধ্যপন্থা চেয়ে
আহা চেয়ে চেয়ে
দেখলেম, গডো তো এলো না…
এক টুকরা বাম
বাম মামদানী যদি সেন্টারে ফুটতো আমাদের কোমলমতিরা
তবে যেনবা একটি
বহুপুরাতন খোয়াবনামা একটু কলকাতাঘেষে লাজুকতায় নান্দনিক…
কিন্তু এ বিধি
ভীষণ দখনে হাওয়া গজল গাওয়া
কেবলি মতিভ্রম
হয়ে হয়ে আহা
চেয়ে চেয়ে কেন
তুমি মরণ নিলে
কত কি রয়েছে
লেখা চিকায় চিকায় আর দেয়ালে দেয়ালে
আজফার আলতাফ
জাভেদ আর আলাঁ
বাম পাশ ঘেষে
ঘেষে আবু জরের সাইকেল
মার্ক্সকে পিছে
নিয়ে চালা
এখুনি আবার
বই খুলে নতুন প্রফেসি বিপ্লবিদের নিয়ে একটি সাইকেল রাপচার অথবা পাংচার করে দিয়ে গাইবে
পার্তিসা.নো… বিপ্লবের.. ফুল…
তুমি… আমি…
মামদানী আমদানী… মাদুর উড়ে … বিপ্লবের পুল…
একদিন রোদ
উঠলেও সবাই ওম পাবে না,
কিছু সীল মাছ
মাথা ফেটে মরে যায় বরফ ফাটে না…
-
৫/১/২৬

জুলাই আদেশ বিষয়ে ছবি: জেমিনাই তর্ক এবং কুতর্ক আলাদা নিশ্চয়ই। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে সাংবিধানিক মুহূর্ত তৈরি হয়েছে তাকে ব্যর্থ করে ...